বিলিভার্স ভিশন

বিলিভার্স ভিশন
আমরা শুধুমাত্র সালাফী আকিদাহ ও মানহাজের বই প্রকাশ করে থাকি।
লেখক
অনুবাদক
সম্পাদক
একগুচ্ছ উপদেশ
বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে সালাফে সালেহীনের মানহাজে দীনের দাওয়াত, সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণের মাপকাঠি, এবং বিভ্রান্ত সময়েও হকপন্থায় দৃঢ় থাকার বাস্তব দিকনির্দেশনা। মাত্র ৩২ পৃষ্ঠার ছোট্ট বই হলেও এর প্রতিটি লাইন যেন একেকটি দীনি মণিমুক্তা।
এটা সালাফগণের মানহাজ নয়!
আপনি কি কখনও ভেবেছেন যে ‘সালাফগণের মানহাজ’ নামক ধারণাটি কতটা সঠিক বা বিভ্রান্তিকর হতে পারে? এই বইটি আপনাকে দেখাবে, অনেকেই নিজেদের সুবিধা বা পছন্দ অনুসারে যে পথ অনুসরণ করছে তা আসলে সালাফগণের মূল মানহাজ নয়। শাইখ ড. মুহাম্মাদ বাযমূলের মূল গ্রন্থ অনুবাদ ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে ৫৪টি পয়েন্টে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যা পাঠককে প্রকৃত সত্য ও বিভ্রান্তির পার্থক্য জানাতে সাহায্য করবে
মুসলিম জাতির দুর্দশার কারণ ও উত্তরণের উপায়
এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর বইটিতে শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন (রাহ.) মুসলিম উম্মাহর ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের দুর্দশার মূল কারণগুলো বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি হৃদয়গ্রাহীভাবে দেখিয়েছেন, কিভাবে আমাদের দৈনন্দিন পাপ এবং অনৈতিকতার ফলস্বরূপ সমাজে নানা সমস্যা তৈরি হয়। পাশাপাশি, শাইখ স্পষ্ট ও প্রাঞ্জল উপায়ে দেখিয়েছেন কিভাবে এই দুর্দশা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
হাদীস কেন মানতে হবে?
‘হাদীস কেন মানতে হবে?’—এই বইটি এমন একটি মৌলিক প্রশ্নের জবাব দেয়, যা ইসলামের প্রতি আস্থাহীনতার যুগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কুরআনের পাশাপাশি হাদীসের অপরিহার্যতা, নবি ﷺ–এর নির্দেশ মানার দলিল এবং হাদীস অস্বীকারকারীদের বিভ্রান্তি—সবকিছুই প্রমাণনির্ভরভাবে বিশ্লেষণ করেছেন লেখক। এতে পাঠক বুঝতে পারবেন, ইসলামী জীবনব্যবস্থা কখনোই হাদীস ছাড়া পূর্ণতা পায় না।
আল-কুরআনের হক ও ফজিলত
কুরআন এমন একটি কিতাব যার মাধ্যমে আরবের সেই বর্বর জাতি সৌভাগ্যবান জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম কুরআন দিয়েই পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ তৈরি করেছিলেন। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বমানবমণ্ডলীর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ হলো আমার যুগ’[বুখারী: ২৬৫২]।
সমাজ সংস্কারে সঠিক আকীদার গুরুত্ব
মানুষ যখন থেকে বুঝতে শিখে, তখন থেকেই সে কোনো না কোনো আকীদা- বিশ্বাসের প্রতি ঝুঁকে পড়ে। আর একটি মুসলিম প্রধান সমাজে সহীহ ইসলামী আকীদাই হলো সমাজের বৃহত্তর শ্রেণির আকীদা। এ প্রবন্ধে সঠিক আকীদার পরিচয় তুলে ধরে কীভাবে তা সমাজ সংস্কারে ফলপ্রসু অবদান রাখতে পারে সেদিকে আলোকপাত করা হয়েছে।
যে আমলে সকল গুনাহ মাফ
আল্লাহ তাআলা মানুষকে কত বেশি ভালোবাসেন তা প্রকাশ করা অসম্ভব। তাঁর সীমাহীন ভালোবাসার নিদর্শন হচ্ছে, তিনি প্রতিনিয়ত অবাধ্য বান্দাদেরকে তাঁর দিকে ফিরে আসার আহ্বান জানান এবং যারা ফিরে আসে তিনি তাদেরকে তাঁর রহমাতের চাদরে সাদরে জড়িয়ে নেন।
রামাদান – মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য
৭৳রামাদান মাস সিয়াম সাধনা ও তাকওয়ার মাস, কল্যাণ ও বরকতের মাস, রহমত ও মাগফিরাত এবং জাহান্নামের অগ্নি থেকে মুক্তি লাভের মাস। মহান আল্লাহ এ মাসটিকে বহু ফযীলত ও মর্যাদা দিয়ে অভিষিক্ত করেছেন।
এক মিনিটের আমল
সময় মানুষের জীবন। সময়কে কখনো অপচয় হতে বা অকাজে নষ্ট হতে দেয়ার মতো নয়। প্রজ্ঞাবান ও বুদ্ধিমান সেই ব্যক্তি যে তার সময়ের সদ্ব্যবহার করে। তাই বুদ্ধিমান ব্যক্তি সময়কে অহেতুক কাজে বা অর্বাচীন কথায় ব্যয় করে না। বরং তিনি সময়কে প্রশংসনীয় উদ্যোগ ও ভালো কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন। যে কাজ আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে এবং মানুষের উপকার বয়ে আনে। জীবনের প্রতিটি মিনিটে আপনি একটি করে প্রস্তর স্থাপন করতে পারেন যা আপনার মর্যাদার ভবনকে উচ্চকিত করবে এবং যা দিয়ে আপনার জাতি সৌভাগ্যমণ্ডিত হতে পারবে।
ইসলামের দৃষ্টিতে ভালোবাসা দিবস
৭৳সত্যিকারার্থে ভালোবাসার জন্য কোনো বিশেষ দিবসের প্রয়োজন হয় না। বিশেষ পাত্র বা পাত্রিরও প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু বেলেল্লাপনা, বেহায়াপনা করার জন্য বিশেষ সময়, দিবস লাগে, বিশেষ পাত্র বা পাত্রীর দরকার পড়ে। তাই ভালোবাসার কোনো দিবস পালন করা একটি ভাওতাবাজি ছাড়া কিছুই নয়। হ্যাঁ, বেহায়াপনার জন্য দিবস হতে পারে।
কৃতজ্ঞতায়: Islamhouse.com
খ্রিস্টীয় নববর্ষ ও মুসলিম সমাজ
৭৳থার্টি ফাস্ট নাইট’ উদযাপন ইসলামে বৈধ নয়। ইসলামি স্কলারগণ একে হারাম বলে আখ্যায়িত করেন। অন্য ধর্মের সংস্কৃতি-উৎসব মুসলিমদের জন্য উদযাপন করা জায়িয নেই। নিজ ধর্ম ও অন্যের ধর্মের কালচারকে একাকার করতে বারণ করা হয়েছে হাদীসে।
নবী (ﷺ) বলেছেন, “যে ব্যক্তি যে জাতির সাথে তাশাব্বুহ বা সাদৃশ্য রাখে সে সেই জাতিরই অন্তর্ভুক্ত।”(সুনান আবু দাউদ, হা.৪০৩১)
দু’আ ও যিকর
দুআ ও যিকর বিষয়ক পূর্ণাঙ্গ হাদীস উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে দুআ বা যিকরের প্রেক্ষাপট, গুরুত্ব বোঝা যায় ও অনুপ্রেরণা লাভ করা যায়। এ সংকলনে আলোচিত বিভিন্ন প্রকার যিকর ও দুআসমূহ পাঠ বা আমল করার কোনো নির্দিষ্ট সিরিয়াল বা ক্রম হাদীসে বর্ণিত হয়নি। তাই আমলকারী নিজ সুবিধামতো যিকর বা দুআ আগে-পরে পাঠ করতে পারে।
